08 24 17

বৃহস্পতিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৯ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) | ১লা জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী

Home - দিনাজপুর - বীরগঞ্জে পানিবন্ধি মানুষ স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ উচ্চুস্থানে আশ্রয় নিচ্ছে

বীরগঞ্জে পানিবন্ধি মানুষ স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ উচ্চুস্থানে আশ্রয় নিচ্ছে

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥ বীরগঞ্জে লাগাতার বর্ষনে পানিবন্ধি মানুষ স্কুল-কলেজও মাদ্রাসাসহ উচ্চুস্থানে আশ্রয় নিয়ে খাদ্য সংকটে ভুগছে।

বীরগঞ্জে টানা ৩ দিনের লাগাতার ভারী বর্ষনে আশ্রয়হীন মানুষেরা স্কুল মাদ্রাসায় অবস্থান নিয়েছে, খাদ্যাভাব সহ মহামারির আশঙ্কা। তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির বীজতলা, নষ্ট হয়েছে অনেক কাচা বাড়ীঘর-গাছপালা, গৃহহীন হয়েছে অসংখ্য মানুষ।

বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে ঢেপা, পূর্নভবা ও আত্রাই নদী। মারাত্মক ঝুকিপুর্ন ও ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে ঢেপা নদীর উপর স্লুইজ গেট, বীরগঞ্জ টু দেবীগঞ্জ পাকা রাস্তায় নখাপাড়া নামক স্থানের অতিশয় পুরাতন ব্রিজ। যে কোন মুহুর্তে দূর্ঘটনায় কবলিত হয়ে প্রাণহানী ঘটতে পারে।

চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল জানান, তার ইউনিয়নের বোচাঁ পুকুর, বাদলাপড়া, কোণপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার বানভাসী গৃহহীন মানুষ বোঁচাপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাতখামার উচ্চ বিদ্যালয়, ও মরিচা মাদ্রাসায় অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস শুরু করেছে।

পাল্টাপুর ইউপি চেয়ারম্যান তসলিমুল আলম জানান, তার ইউনিয়নের উত্তর সাদুল্ল্যা পাড়া, ঘোড়াবান্দ কাজল গ্রামের বেশ কিছু কাচা বাড়ীঘর, আত্রাই নদীর জন্তিয়াঘাট নিচু অংশের শতাধিক বসতবাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদেরকে নিকটস্থ স্কুলে সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে।

ইউপি চেয়ারম্যান এমএ খালেক সরকার জানান নিজপাড়া, নখাপাড়া, শম্ভুগাও, প্রেমবাজার, খলসী বাজারসহ অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাজার সংলগ্ন ঢেপা নদীর ব্রীজের পশ্চিম তীর কাঁচা রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গৃহহীনরা খলসী উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন স্কুলে অবস্থান নিচ্ছে।

সাতোর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রেজাউল করিম শেখ জানান, তার ইউনিয়ন সাতোর সহ শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, সুজালপুর, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর ইউনিয়নের বসতবাড়ীসহ আবাদী ক্ষেত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলম হোসেন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা সমুহ পরিদর্শন করেছেন। জরুরীভাবে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ত্রান সামগ্রীসহ চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন বলে সচেতন মহলের দাবি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য