Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 20 18

বৃহস্পতিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৯ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - আন্তর্জাতিক - ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে হবে: আফ্রিকান ইউনিয়ন

ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে হবে: আফ্রিকান ইউনিয়ন

আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোকে ‘অত্যন্ত নোংরা জায়গা’ বলেছেন, এমন খবর প্রকাশ হওয়ার পর এ মন্তব্যের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে বলেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন।

App DinajpurNews Gif

আফ্রিকার দেশগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী ওই গোষ্ঠীটির ওয়াশিংটন ডিসি মিশন ট্রাম্পের এ মন্তব্যে ‘মর্মাহত, অপমানিত ও উদ্বিগ্ন’ হওয়ার কথা জানিয়েছে বলে খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল দপ্তরে অভিবাসন নিয়ে এক বৈঠক চলাকালে ট্রাম্প কথিত ওই মন্তব্যটি করেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়। কিন্তু কথিত ওই ভাষা ব্যবহার করেননি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

ওই বৈঠকে উপস্থিত দুই রিপাবলিকান সিনেটরও ট্রাম্পের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। কিন্তু ওই বৈঠকে উপস্থিত ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ডিক ডারবিন জানিয়েছেন, বৈঠকে বেশ কয়েকবার আফ্রিকার দেশগুলোকে ‘নোংরা জায়গা’ বলে মন্তব্য করে ‘বর্ণবাদী’ ভাষা ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প।

শুক্রবার এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, অভিবাসন আইন ‘কঠোর’ করা নিয়ে আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে ওই গোপনীয় বৈঠকটি করছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি বলছেন বলে যেসব শব্দ উল্লেখ করা হচ্ছে ‘সেগুলো ব্যবহার করা হয়নি’।

অপরদিকে আফ্রিকান ইউনিয়ন বলেছে, “এই মন্তব্য সুপ্রসিদ্ধ মার্কিন ভাবমূর্তি এবং বৈচিত্র্য ও মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাকে অসম্মান করেছে।

“এই মন্তব্যে আমরা আহত, অপমানিত ও উদ্বিগ্ন হয়েছি। আফ্রিকা মহাদেশ ও এর অধিবাসীদের বিষয়ে বর্তমান (মার্কিন) প্রশাসনের ব্যাপক ভুল বুঝাবুঝি রয়েছে বলে গভীরভাবে বিশ্বাস করে আফ্রিকান ইউনিয়ন।

“এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ও আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে জরুরিভিত্তিতে সংলাপ হওয়া দরকার।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বোতসওয়ানায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কৈফিয়ত চেয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন মন্তব্য করেছেন নিশ্চিত হলে তা ‘অতিশয় বেদনাদায়ক ও লজ্জাজনক’ হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক মুখপাত্র রুপার্ট কোলভিল।