Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 19 18

বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৮ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - রংপুর বিভাগ - রংপুরে খাদেম হত্যা মামলায় ম্যাজিষ্ট্রেটসহ ৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

রংপুরে খাদেম হত্যা মামলায় ম্যাজিষ্ট্রেটসহ ৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর এলাকায় জেএমবি কিলিং মিশনের হাতে নিহত চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা, পল্লী চিকিৎসক ও মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে এক ম্যজিষ্ট্রেটসহ ৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেছে রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার।

App DinajpurNews Gif

রংপুর জজ আদালতের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা জানান, মঙ্গলবার সকালে কঠোর নিরাপত্বায় অভিযুক্ত জেএমবি সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া, আবু সাঈদ, সাখাওয়াত হোসেন, তৌফিকুল ইসলাম, সাদাত ওরফে রতন, সরোয়ার হোসেন ওরফে সাবু ও জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিবসহ ১৩ জনকে বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হয়।

এরপর আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ৫জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরা হলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শফিউল আলম, সহকারি পুলিশ সুপার এবিএম জাহিদুল ইসলাম, এসআই দিনেশ চন্দ্র বর্মন, ফজলুল হক ও এএসআই আবদুর রাজ্জাক। এনিয়ে ৩৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহন হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় কাউনিয়ার টেপামধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে নিজের ওষুধের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুবৃত্ত্বরা গলা কেটে হত্যা করে পল্লী চিকিৎসক রহমত আলীকে। এ ঘটনায় তার পুত্র অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া কাউনিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আবদুস ছাত্তারের পুত্র মোরশেদুল ইসলাম ও ভাতিজা শহিদুল ইসলামসহ অন্যাদের অব্যাহতি দেয় আদালত। রহমত আলীর বাড়িতে শাহ আবদুস সাত্তার নামে এক পীরের মাজার ছিলো। সেখানে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর ওরশ হতো। রহমত আলী ওই মাজারটি দেখাশোনা করতেন।

এর আগে গত বছর ২৩ আগস্ট একই আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন। ১৬ আগস্ট একই আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করে। গত ১১ জুলাই রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক কামরুজ্জামানের আদালতে ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছিলেন কাউনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ।

এদের মধ্যে জেএমবি সদস্য বাইক হাসান ও সাদ্দাম হোসেন পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। বাকী ১২ জনের মধ্যে ৯ জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার পর কারাগারে রয়েছে।