07 21 18

শনিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৮ ইং | ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলক্বদ, ১৪৩৯ হিজরী

Home - রংপুর বিভাগ - টিউমার থেকে ক্যান্সার, বাঁচতে চায় মমতাজ

টিউমার থেকে ক্যান্সার, বাঁচতে চায় মমতাজ

দরিদ্র পরিবারের সন্তান মমতাজ উদ্দিন। বয়স প্রায় ২৮ বছর। তার বাম গালে বিশালকার একটি টিউমারের যন্ত্রণায় ছটফট করছে মমতাজ।

সে শুধুই কাঁদছে এবং বলছে আমাকে বাঁচান। দীর্ঘদিন থেকে এই টিউমার রোগে আক্রান্ত মমতাজ। টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করতে না পারায় সম্প্রতি মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে পরিনত হয়েছে। ডাক্তাররা বলেছেন, জরুরিভাবে তাকে অপারেশন করা না হলে তাকে আর বাঁচানো যাবে না।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে মমতাজ। অসহায় দরিদ্র মমতাজকে সুস্থ করার আশায় সহায় সম্পদ যা ছিলো সবই বিক্রি করে নি:স্ব এখন পরিবারটি। এ পরিবারটির নেই মাথা গোজার ঠাই পরের জমিতে করছে বসবাস। মমতাজকে বাঁচাতে যে অর্থ প্রয়োজন, তা যোগাড় করতে পারছে না পরিবারটি। ফলে ক্রমেই মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে মমতাজ।

মমতাজকে সুস্থ করতে সমাজের বিত্তবান মানুষ এবং সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন মমতাজের স্বজন ও এলাকাবাসী। টিুউমার আক্রান্ত মমতাজ উদ্দিন বলেন, প্রায় ৭ বছর আগে হঠাৎই মুখের বাঁ পাশে দেখা দেয় ছোট আকারের একটি টিউমার।

দিন যতোই যায় ততোই টিউমারটি ফুলে বড় হতে থাকে। ’পরে চিকিৎসকের পরামর্শে রংপুরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারও করান। ভালোই ছিলেন এক বছর। পরে ধিওে ধিরে টিউমারটি আবার বড় হতে থাকে। সেই সাথে বাড়তে থাকে অসহ্য নরক-যন্ত্রণা। মাঝে মাঝে টিউমার থেকে রক্ত ঝরে। তখন অন্যর সাহায্যে ছাড়া চলতে পারেন না। একারণে বউ তাকে তালাক দিয়ে ছেড়ে যায় ৪ বছরের একন্যা সন্তান রেখে।

অসহায় মমতাজ উদ্দিন চরম হতাশে বলেন, আমি বাঁচতে চাই। দয়া করে আপনারা আমাকে বাঁচান। কাজকর্ম করতে না পারায় আমার সংসার চলে না। সংসার না চলায় স্ত্রী চার বছরের একমাত্র মেয়েকে ফেলে চলে গেছে বাপের বাড়িতে। প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তবানদের নিকট আমার চিকিৎসার্থে সহায়তা চাই। আমি স্বাভাবিকভাবে দুনিয়ার বুকে বাচতে চাই।

দুর্বিষহ টিউমার নিয়ে ৭ বছর ধরে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে মমতাজের। সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকতে নিরূপায় হয়ে তাই সকলের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মমতাজকে বাঁচাতে হলে দ্রত অপারেশন করতে হবে। অপারেশন না করালে টিউমারটি ক্যান্সারে পরিণত হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়বে।

অসহায় মমতাজের মা জোহরা বেগম বলেন, মমতাজকে সুস্থ করতে সম্পদ যা ছিলো তা বিক্রি করে এখন আমরা নিশ্ব। তাছাড়াও দুই বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ায় দু’বেলা খাবার জোটানোও দু:সাধ্য আমার। দেখতে দেখতে মমতাজের টিউমারটি অস্বাভাবিক বড় হয়ে গেছে। এ কারণে সে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারেছে না। অপারেশন ও চিকিৎসা না করলে কোনোভাবেই মমতাজকে বাঁচানো যাবে না। ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের তথা দেশের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তার অসহায় মা। সহায়তা পাঠাতে পারেন আল আরাফাত ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয়ী হিসাব নং -১৩৭১১২০০১৮২৭৫। পার্সনাল বিকাশ নাম্বার-০১৮৫৫৪১৪৭৪৯ এই নাম্বারে।