Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 19 18

বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৮ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - রংপুর বিভাগ - ঠাকুরগাঁওয়ে ২০টি বাল্য বিয়ে কাজীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০টি বাল্য বিয়ে কাজীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও থেকেঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১নং ঢোলারহাট ইউনিয়নের নিকাহ রেজিষ্টারের (কাজী) বিরুদ্ধে নিজের মেয়ে সহ নাবালক ছেলে মেয়েদের বাল্য বিয়ে দেওয়ার অভিযোগের আবারো তদন্ত শুরু হয়েছে।

App DinajpurNews Gif

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঢোলারহাট ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে রাণীশংকৈল উপজেলা সাব রেজিষ্টার সবুজ মিয়া সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। এ সময় অভিযোগকারী স্থানীয় লোকজন কাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে জবানবন্দী দেয়।

উল্লেখ্য, ২১ নং ঢোলারহাট ইউনিয়নের নিকাহ রেজিষ্টার আমজাদ আলী গত বছরের আগষ্ট মাসে তার নিজের নাবালিকা মেয়ে ও মধুপুর ঈদগাঁ দাখিল মাদরাসার ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী আরজিনা বেগমকে পার্শবর্তী চিলারং পাহাড়ভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে রবিউল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেয়।

জুনিয়র দাখিল পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনুযায়ী ওই মেয়ের জন্ম তারিখ ০২/০৫/২০০২। মাদরাসার সনদ অনুযায়ী বিয়ের সময় আরজিনার বয়স ছিল ১৫ বছর ৩ মাস ১১ দিন। একইভাবে তিনি ব্যারিষ্টার জমির উদ্দীন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী জেলি আক্তার নামে এক নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে দিলে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করে।

উক্ত ঘটনায় নিকাহ রেজিষ্টারের ক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ পত্রে সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসক ১৭ই এপ্রিল ২০১৭ তারিখের এক পত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৩১/০৮/২০১৭ তারিখে স্বাক্ষারত এক পত্রে রুহিয়া থানার ওসিকে তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন।

রুহিয়া থানার পুলিশ তদন্ত শেষে রিপোর্ট দেয় যে, কাজী আমজাদ হোসেন শুধু নিজের মেয়ের বিয়ে দেয়নি। ওই কাজী পার্শবর্তী আরো একাধিক মেয়ের বাল্য বিয়ে দিয়েছেন বলে সত্যতা পাওয়া যায়। এ বিষয়ে রুহিয়া থানর পুলিশ ২৮ই ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ জানায়।

উক্ত রিপোর্টের সঙ্গে একমত পোষন করে বাল্য বিবাহে কাজী জড়িত থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবগত করেন।

সর্বশেষ চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারী জেলা প্রশাসক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা রেজিষ্টারকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু জেলা রেজিষ্টার জেলা প্রশাসকের নির্দেশ ও তদন্ত উপেক্ষা করে একজন সাব রেজিষ্টারকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।