Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 19 18

বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৮ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - রংপুর বিভাগ - চোরাই পথে আসছে গরু : রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

চোরাই পথে আসছে গরু : রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাট থেকে: উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের ৫ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত চোরাইপথে ভারতীয় গরু দেশে আসছে।

App DinajpurNews Gif

চোরাচালানকারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মিলে তৈরি করেছেন গরু চোরাচালানের বিশাল সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেট দিয়ে চলছে জমজমাট ভারতীয় গরুর ব্যবসা। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ভাগাভাগি করে নিচ্ছে সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এতে সরকার প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

সূত্র মতে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকড়ি, আমঝোল, ঘুটিয়ামঙ্গল, বনচৌকি, শিঙ্গিমারী পকেট ও কানীপাড়া, বড়খাতা, ভেলাগুড়ি, ঠাংঝাড়াসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার ভারতীয় গরু বাংলাদেশে আসছে। সবচেয়ে বেশি ভারতীয় গরু আসছে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা সীমান্ত দিয়ে।

ওই সীমান্তে করিডোর ছাড়া গরু পারাপারের অবৈধ ব্যবসা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বৈধতা পেয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ভারত থেকে গরু আনতে গেলে করিডোর করতে হবে। এজন্য জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ইসলামপুরে একটি করিডোর স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু গোটা সীমান্তে গড়ে উঠা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করায় গরু কোনো করিডোর করা হচ্ছে না। করিডোর করা হলে গরু প্রতি সরকার ৫শ’ টাকা রাজস্ব পায়।

নাম না প্রকাশ শর্তে হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল এলাকার কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীরা জানান, করিডোর না করে গরু প্রতি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির কথিত লাইনম্যানকে ২শ’ টাকা, পুলিশের কথিত লাইনম্যানকে ৬০ টাকা, ইউনিয়ন পরিষদ ৬০ টাকা, আনসার ভিডিপিকে ১০ টাকা করে দিতে হয়। ওই সীমান্তগুলো দিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮শ’ করে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করে। করিডোর না হওয়ায় এতে প্রতি মাসে সরকার প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।

বিজিবির লালমনিরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোর্শেদ জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক জানান, জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুলিশ চোরাচালান রোধে কাজ করে যাচ্ছে।